বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থার মতে করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট ‘কোভিড-১৯’ একটি বৈশ্বিক
মহামারি । বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন প্রায় অর্ধ কোটি , মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে তিন লাখ। আর
প্রাণঘাতী এই ভাইরাস সহসাই নির্মূল হচ্ছে না বলে ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য
সংস্থা।
তাই করোনাভাইরাস
সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই এখন বড় ভরসার
জায়গা। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো ভাইরাস
হলো প্রোটিন যুক্ত অণুজীব, যার কারণে মানুষ
জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট এমনকি মারাত্মক নিউমোনিয়ায়
(নতুনভাবে) আক্রান্ত হতে পারে। তা ছাড়া এই ভাইরাস ভয়ংকর প্রাণঘাতী রোগ তৈরি করতে
পারে খুব সহজে। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। এই ক্ষেত্রে
জিংক সমৃদ্ধ খাবার হতে পারে কোভিড-১৯ প্রতিরোধের অন্যতম উপায় ।
একটি মেটা
অ্যানালাইসিস থেকে জানা গেছে, জিংক
সাপ্লিমেন্টের ব্যবহারে ঠান্ডা জনিত উপসর্গের স্থায়িত্ব কমেছে। এই বিষয়টি এটা
ইঙ্গিত দিচ্ছে যে জিংক সমৃদ্ধ খাবার খেলে করোনাভাইস সংক্রমণ জনিত উপসর্গের স্থায়িত্বও
কমতে পারে।
দৈনন্দিন কিছু খাবারেই এই জিংকের চাহিদা পূরণ হয়। জিংকের কিছু উল্লেখযোগ্য উৎস হচ্ছে: শিমের বিচি ও অন্যান্য বিনস, ছোলা, মসুর ডাল। প্রতি ১০০ গ্রাম মসুর ডাল থেকে আমরা পেতে পারি প্রায় ৩ দশমিক ৮৯ মিলিগ্রাম জিংক, অন্যদিকে জিংক ফর্টিফায়েড সিরিয়াল, গম, চিংড়ি, ঝিনুক, কাঁকড়া, বাদাম, বীজ জাতীয় খাবার, দই, ও মুরগির মাংস, দুধ, মটরশুঁটি, লাল মাংস, বাদাম, সামুদ্রিক মাছ ও জিংকের উৎস হিসাবে কাজ করে । চিংড়ি ও তেলাপিয়া মাছে রয়েছে ২ দশমিক ২৫ ও ১ দশমিক ৪০ মিলিগ্রাম জিংক। এছাড়া আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় থাকা ডিম, দুধ এ জিংকের পরিমান আছে যথাক্রমে ২.৩৬ এবং ৩-৫ মিলিগ্রাম ।


0 Comments